আজ টিউশনিরর প্রথম বেতন পেয়েছি।
খুব ভাল লাগছে।আর ভাল লাগারই
কথা,কারণ আমার জীবনের প্রথম
উপার্জন।খুশিতে আত্নহারা আমি।
অনেক কস্ট করে একটা টিউশনি জোগাড় করছি।
টাকাগুলো নিয়ে টিউশনি থেকে বের
হয়ে,ভাবলাম কি করা যায়?
হাতে একটা টাকাও ছিলনা এতদিন।আর জামা কাপড়ও বেশ পুরানো হয়ে গেছে। একটা জামা, প্যান্ট
কিনতে হবে অব্যশই। আর স্যান্ডেলটাও বেশ পুরান হয়ে গেছে।
নিউ মার্কেটে যায় কিছু কিনতে।কারণ সেইখানে ফুটপাতে ভাল জামাকাপড় সস্তায় পাওয়া যায়।আর আমাদের মত পরিবারের ছেলেমেয়েদের সানমার/আফমি,ইউনক্সো অথবা বড় বড় নামীদামী শপিং মহল থেকে শপিং করার সামর্থ্য নাই।
৩নং বাসে করে নিউ মার্কেট গেলাম।
হকারের দোকান থেকে একটা প্যান্ট দেখতেই নিজের ছোট ভাইয়ের
কথা মনে পড়ল।আমার ছোট ভাইয়ের ও তো ভালো একটা প্যান্ট দরকার।
হাতে যে টাকা আছে তাতেই একজনের
জন্যই প্যান্ট কিনতে পারব।আর বাকী টাকাগুলো বাসায় দিতে হবে।
থাক...!আমার জন্য লাগবেনা।
আমি পরের মাসের বেতন দিয়ে কিনব।
একটা প্যান্ট কিনলাম ভাইয়ের জন্য।
আমার না থাকলেও চলবে,কারণ আমার ভাইয়ের খুবই দরকার।
সে স্কুলে পড়ালেখা করে,ওর বন্ধুর সাথে ভালভাবে চলতে হবে।
কিছুক্ষন ঘুরাঘুরির বাসায়
এসে মাকে বাকী টাকাগুলো দিলাম।খুব
খুশি হল মা।আবেগে কান্না করে দেয়ার
মত অবস্থা।আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্নাই করে দিল মা।তখন বুঝতে পারলাম এটাই মায়ের ভালবাসা।
হাত খালি অথচ ধারকরা টাকায় ছোট ভাই-বোনকে দেয়া জামা পরে তারা যখন আনন্দে আত্মহারা,নিষ্পাপ মুখের এই হাসিটুকু দেখলে মনে হয় এই
হচ্ছে ভালোবাসা....!!
এইটা হচ্ছে নিম্ন মধ্যবিক্তদের জীবন।
যারা মাবাবা,ভাই,বোনের মুখে হাসি ফুটানোর জন্যই নিজের সবকিছুই ত্যাগ করে।তাদের থাকে নানারকম অভাব।কিন্তু এত অভাবের মাঝেও ভালবাসার যেন কমতি থাকেনা তাদের পরিবারে।
আরেকটা জিনিস হল,তাদের সবসময়ই অভিনয় করে চলতে হয়।হাজার দু:খ কস্টকে দামাচাপা দিয়ে সুখের অভিনয়।তারপরেও আমাদের জীবন অনেক সুখেরই।আমাদের অভাব থাকলেও ভালাবাসার কমতি থাকেনা।
শুধু প্রেয়সীর ললাটে চুম্বন দেয়াকে ভালোবাসা বলে না।ভালোবাসা ছড়িয়ে আছে জীবনের পরতে পরতে। শুধু তাকে চিনে নিতে হয়,
বুঝে নিতে হয়....!
খুব ভাল লাগছে।আর ভাল লাগারই
কথা,কারণ আমার জীবনের প্রথম
উপার্জন।খুশিতে আত্নহারা আমি।
অনেক কস্ট করে একটা টিউশনি জোগাড় করছি।
টাকাগুলো নিয়ে টিউশনি থেকে বের
হয়ে,ভাবলাম কি করা যায়?
হাতে একটা টাকাও ছিলনা এতদিন।আর জামা কাপড়ও বেশ পুরানো হয়ে গেছে। একটা জামা, প্যান্ট
কিনতে হবে অব্যশই। আর স্যান্ডেলটাও বেশ পুরান হয়ে গেছে।
নিউ মার্কেটে যায় কিছু কিনতে।কারণ সেইখানে ফুটপাতে ভাল জামাকাপড় সস্তায় পাওয়া যায়।আর আমাদের মত পরিবারের ছেলেমেয়েদের সানমার/আফমি,ইউনক্সো অথবা বড় বড় নামীদামী শপিং মহল থেকে শপিং করার সামর্থ্য নাই।
৩নং বাসে করে নিউ মার্কেট গেলাম।
হকারের দোকান থেকে একটা প্যান্ট দেখতেই নিজের ছোট ভাইয়ের
কথা মনে পড়ল।আমার ছোট ভাইয়ের ও তো ভালো একটা প্যান্ট দরকার।
হাতে যে টাকা আছে তাতেই একজনের
জন্যই প্যান্ট কিনতে পারব।আর বাকী টাকাগুলো বাসায় দিতে হবে।
থাক...!আমার জন্য লাগবেনা।
আমি পরের মাসের বেতন দিয়ে কিনব।
একটা প্যান্ট কিনলাম ভাইয়ের জন্য।
আমার না থাকলেও চলবে,কারণ আমার ভাইয়ের খুবই দরকার।
সে স্কুলে পড়ালেখা করে,ওর বন্ধুর সাথে ভালভাবে চলতে হবে।
কিছুক্ষন ঘুরাঘুরির বাসায়
এসে মাকে বাকী টাকাগুলো দিলাম।খুব
খুশি হল মা।আবেগে কান্না করে দেয়ার
মত অবস্থা।আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্নাই করে দিল মা।তখন বুঝতে পারলাম এটাই মায়ের ভালবাসা।
হাত খালি অথচ ধারকরা টাকায় ছোট ভাই-বোনকে দেয়া জামা পরে তারা যখন আনন্দে আত্মহারা,নিষ্পাপ মুখের এই হাসিটুকু দেখলে মনে হয় এই
হচ্ছে ভালোবাসা....!!
এইটা হচ্ছে নিম্ন মধ্যবিক্তদের জীবন।
যারা মাবাবা,ভাই,বোনের মুখে হাসি ফুটানোর জন্যই নিজের সবকিছুই ত্যাগ করে।তাদের থাকে নানারকম অভাব।কিন্তু এত অভাবের মাঝেও ভালবাসার যেন কমতি থাকেনা তাদের পরিবারে।
আরেকটা জিনিস হল,তাদের সবসময়ই অভিনয় করে চলতে হয়।হাজার দু:খ কস্টকে দামাচাপা দিয়ে সুখের অভিনয়।তারপরেও আমাদের জীবন অনেক সুখেরই।আমাদের অভাব থাকলেও ভালাবাসার কমতি থাকেনা।
শুধু প্রেয়সীর ললাটে চুম্বন দেয়াকে ভালোবাসা বলে না।ভালোবাসা ছড়িয়ে আছে জীবনের পরতে পরতে। শুধু তাকে চিনে নিতে হয়,
বুঝে নিতে হয়....!

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন